জন্মের বছর দুয়েক পর গলার নিচে ভয়াবহ রকমের টিউমার হয়। ডাক্তার বলেছিল অপারেশন করলে রোগীকে বাঁচানো যাবে না। সময়ের সাথে সাথে টিউমার বড় হয়। একটা সময় মা ছাড়া সবাই বিশ্বাস করে নেয় আমি মারা যাব। কিন্তু আল্লাহ্তায়ালা বাঁচিয়ে দিয়ে গেল।


এরপর থেকে আমার আর কখনো অসুখ হয়নি। কিন্তু রমজানে এত পরিশ্রম করেছি যে নিজের দিকে একটু তাকানোর সময় হয়নি। রাতের ঘুমটাও বাসে/ট্রেনে বসে ঘুমিয়েছি। রাসেলকে নিয়ে নোয়াখালী গেছিলাম। মজার ব্যাপার হলো ওখানে রিকশাতে বসে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। এই রেশগুলো থেকে গেছে।
অনেকদিন ধরেই অসুস্থতা অনুভব করছিলাম। বাট ইচ্ছে করেই পাত্তা দেইনি। ইদানীং অবস্থা খুব ভয়াবহ হল। অনেকের জোরাজুরিতে ক্লিনিকে গেলাম। ডাক্তার কিছুক্ষণ আমার সাথে কথা বলার পর জানালো, আপনার সম্ভবত ডেঙ্গুজ্বর হয়েছে। তারপর ৪টা টেস্ট দিল। কিছু ওষুধ লিখে দিল। এবং শেষে সিস্টারকে বলে দিল উনার কাছ থেকে মাত্র ৪০০টাকা রাখবেন। স্টুডেন্টদের জন্য সব জায়গায় ই সুবিধা খালি কোটা পদ্ধতিটা বাদ করে দিলেই হতো।

আজ রেডিয়াম থেকে টেস্টের রিপোর্টগুলো এনে ডাক্তারকে দেখানোর পর তিনি জানালেন, আপনার টাইফয়েড হইছে। একটু সিরিয়াস! দীর্ঘদিন রেস্টে থাকতে হবে।
অসুখ খারাপ কিছু না। কিন্তু আমার এই সময়টা অনেক ইমপোর্টেন্ট ছিল। হাসিমুখের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নিয়ে অনেক পরিকল্পনা ছিল। জানিনা সবকিছু ভেস্তে যাবে কিনা। তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ্।

আর হ্যা সবাই আমার জন্য একটু দোয়া করবেন। আগামীকাল গ্রামে চলে যাব। তারপর হয়তো অনলাইনে খুব একটা আসা হবে না। কারো খুব প্রয়োজন হলে কল দিবেন।
আল্লাহ্ হাফেজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *